| ঢাকা
নিউজ.জংশন
বিজ্ঞাপন
যেকোন ধরনের ওয়েব সাইট, ওয়েব এপ, বা সফটঅয়ার এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন SYED CREATIONS এ। এক যায়গায় পাবেন সকল সমাধান। ফ্রী পরামর্শের জন্য কল দিন: ০১৮৩৭৫২২৯০২ নাম্বারে।
সারাদেশ

হাসপাতালে রোগী অপেক্ষায়, পাশের ডায়াগনস্টিকে চিকিৎসক

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৫
হাসপাতালে রোগী অপেক্ষায়, পাশের ডায়াগনস্টিকে চিকিৎসক
ছবিঃ নিউজ.জংশন

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন না করে পাশের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে মেডিকেল অফিসার ডা. মোর্শেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের পাশের দি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার সময় স্থানীয়রা তাকে দেখতে পান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ, দুপুর ১২টার দিকে একটি ফোন পাওয়ার পর হাসপাতালের চেম্বারে রোগী দেখা বন্ধ করে বাইরে চলে যান ডা. মোর্শেদুল ইসলাম। এ সময় তার চেম্বারের সামনে বেশ কয়েকজন রোগী অপেক্ষা করছিলেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন তার পিছু নিয়ে হাসপাতালের পাশের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে তাকে রোগী দেখার সময় দেখতে পান।

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা ওই চিকিৎসককে ঘিরে ফেলেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে খবর দেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

ঘটনার সময় হাসপাতালের চেম্বারের সামনে রোগীদের বসে ও দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। চিকিৎসকের জন্য অপেক্ষমাণ রোগী ও স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

হাসপাতালে অপেক্ষমাণ রোগীর স্বজন শুভ বলেন, “আমার অসুস্থ মাকে নিয়ে হাসপাতালে এসে দেখি ডাক্তার নেই। তাই ডাক্তারের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি।”

আরেক রোগী কারিমা আক্তার বলেন, “হাত-পায়ের ব্যথার কারণে চিকিৎসা নিতে এসেছিলাম। একটি ফোন পেয়ে ওই ডাক্তার বাইরে গেছেন। এখন তাঁর আসার অপেক্ষায় আছি।”

স্থানীয় যুবক সিফাত হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ওই চিকিৎসক নিয়মিত হাসপাতালের দায়িত্ব রেখে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন বলে তারা শুনেছেন। এতে সাধারণ রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে দি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক রাসেল আহম্মেদ বলেন, “ডা. মোর্শেদুল ইসলাম আমাদের এখানে এসেছিলেন এবং রোগী দেখেছেন। তবে তিনি কী কারণে হাসপাতালের দায়িত্বের সময় এখানে এসেছেন, সেটি তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়।”

অভিযোগের বিষয়ে ডা. মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, “ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে ফোন পেয়ে এখানে এসেছি। হাসপাতালে সে সময় কোনো রোগী ছিল না।”

আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আল-মামুন বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

নোট: আপনার দেওয়া লেখার মধ্যে “ভাণ্ডারিয়ায় মাছে রং মেশানোর দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা” শিরোনামটি আক্কেলপুরের এই সংবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়—এটি সম্ভবত ভুল করে যুক্ত হয়েছে। তাই সংবাদে সেটি বাদ দেওয়া হয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

SYED CREATIONS

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট, ওয়েব অ্যাপ বা সফটওয়্যারের জন্য আজই যোগাযোগ করুন। এক জায়গায় পাবেন সকল সমাধান!

০১৮৩৭৫২২৯০২