মানুষের জীবন যেমন চড়াই-উতরাইয়ে ভরা, তেমনি সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে অবচেতনভাবেই কিছু ভুলত্রুটি হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। আর সেই শাশ্বত সত্যকে বুকে ধারণ করে নিজের চেনা মাটি ও মানুষের কাছে এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার আড়ুয়াবনি চরপাড়া গ্রামের কৃতী সন্তান ও পেশাদার সাংবাদিক মো: আজাদ খান। (৫নং সদর ইউনিয়ন, ২নং ওয়ার্ড)।
এক বিবৃতিতে তিনি তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিক, সংগ্রাম ও এলাকাবাসীর প্রতি গভীর ভালোবাসার কথা তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানান, সামাজিক ও ব্যক্তিজীবনে চলার পথে যদি তাঁর কোনো কর্মকাণ্ডে কেউ কখনো কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে যেন তাঁকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়। এমনকি যারা সমালোচনা করেন, তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রদ্ধাভাজন ও আপনজনদের সমালোচনা থেকেও আমার অনেক কিছু শেখার আছে।
মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান মো: আজাদ খান জীবনের নানা প্রতিকূলতা ও বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজ এ অবস্থানে এসেছেন। তিনি চিতলমারী এস.এম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর সরকারি বি.এল কলেজে ইংরেজি সাহিত্যে দেড় বছর অধ্যয়ন করার পর, শেরে বাংলা কলেজ থেকে বি.এ এবং পরবর্তীতে ঐতিহ্যবাহী হরগঙ্গা কলেজ থেকে সফলতার সাথে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন।
শিক্ষাজীবন শেষে বেশ কয়েকবার চাকুরীয় পরীক্ষায় চমৎকার ফলাফল ও বিদেশ যাওয়ার সুযোগ হলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তিনি বঞ্চিত হয়েছেন। তবে ভেঙে না পড়ে শত প্রতিকূলতার মাঝেও মহান রাব্বুল আলামিনের প্রতি কোটি কোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন তিনি।
চাকুরি না পেলেও দমে যাননি আজাদ খান। বর্তমানে তিনি সাহসিকতার সাথে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক হিসেবে তিনি ‘দৈনিক মুক্ত খবর’, ‘দৈনিক সময় সংগ্রাম’ সহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সবসময় নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন।
তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ২নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের প্রতি অন্তরের গভীর টান ও ভালোবাসা থেকেই তিনি এই বার্তা দিয়েছেন। এলাকার সন্তান হিসেবে সকলের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি জীবনের বাকি পথটুকু সততা ও নিষ্ঠার সাথে পাড়ি দিতে চান। পরিশেষে তিনি ২নং ওয়ার্ডসহ সমস্ত এলাকাবাসীর সর্বাঙ্গীন মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।