| ঢাকা
নিউজ.জংশন
বিজ্ঞাপন
যেকোন ধরনের ওয়েব সাইট, ওয়েব এপ, বা সফটঅয়ার এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন SYED CREATIONS এ। এক যায়গায় পাবেন সকল সমাধান। ফ্রী পরামর্শের জন্য কল দিন: ০১৮৩৭৫২২৯০২ নাম্বারে।
সারাদেশ

নাফ নদীতে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

বিজিবির নৌ-টহলের ধাওয়ায় নদীতে ফেলা বস্তা উদ্ধার, জব্দ ইঞ্জিনচালিত নৌকা

টেকনাফ প্রতিনিধি
আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৯
নাফ নদীতে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩
ছবিঃ নিউজ.জংশন

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সাবরাং বিওপি এলাকার দায়িত্বপূর্ণ নাফ নদীতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মায়ানমার থেকে মাদকের একটি বড় চালান নাফ নদী অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশের খবর পেয়ে অধিনায়ক টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় আভিযানিক দল বিকেল ৩টা থেকে ওই এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়।

পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকায় কয়েকজন ব্যক্তিকে দ্রুতগতিতে নাফ নদী অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। নৌকাটির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় বিজিবির নৌ-টহল দল থামার সংকেত দেয়।

তবে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে পাচারকারীরা নৌকায় থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা নদীতে ফেলে দেয়। পরে বিজিবির সদস্যরা ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাসহ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হন।

আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে নদীতে ফেলে দেওয়া বস্তাটিতে ইয়াবা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে সাবরাং ও শাহপরীরদ্বীপ বিওপির আভিযানিক দল নাফ নদীতে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকা থেকে বস্তাটি ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে।

বস্তাটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে মোট ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—টেকনাফের কুলালপাড়া এলাকার মো. জামাল হোসেন (৩৮), সাবরাং নোয়াপাড়া এলাকার মো. এমরান (২৫) ও মো. ইসমাইল (২৪)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান ও সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। মাদক পাচারকারীরা কৌশল পরিবর্তন করলেও গোয়েন্দা নজরদারি, নৌ-টহল ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে তাদের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের পর জব্দকৃত ইয়াবা ও নৌকাসহ তাদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

SYED CREATIONS

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট, ওয়েব অ্যাপ বা সফটওয়্যারের জন্য আজই যোগাযোগ করুন। এক জায়গায় পাবেন সকল সমাধান!

০১৮৩৭৫২২৯০২