ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন কমিটির আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, রাজনৈতিক ও শিক্ষক-ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা আশরাফ উদ্দীন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত ও সমাপনী বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলী। সিরাতবিষয়ক আলোচনায় অংশ নেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ.খ.ম. ওয়ালী উল্লাহ, আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. হাফেজ আবু নোমান মো. এরশাদ উল্লাহ এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কাউছার মো. বাকী বিল্লাহ।
আলোচকরা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে প্রত্যেকের নিজেকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা উচিত। তাঁর নীতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ অনুসরণ করলে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) যে আদর্শ ধারণ করতেন, তা নিজেদের জীবনে ধারণ করতে হবে। সমাজে নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধের যে অবক্ষয় ঘটেছে, তা দূর করতে তরুণ প্রজন্ম ও নবীন গবেষকদের পাঠদানের পাশাপাশি গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জীবনাচরণে এসব মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
এর আগে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সামনে থেকে একটি মোবারক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় মসজিদের আলোচনা সভায় এসে শেষ হয়।
পরে বাদ জোহর মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পেশ এবং দেশ, জাতি ও উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।