| ঢাকা
নিউজ.জংশন
বিজ্ঞাপন
যেকোন ধরনের ওয়েব সাইট, ওয়েব এপ, বা সফটঅয়ার এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন SYED CREATIONS এ। এক যায়গায় পাবেন সকল সমাধান। ফ্রী পরামর্শের জন্য কল দিন: ০১৮৩৭৫২২৯০২ নাম্বারে।
মুক্তচিন্তা

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগ, ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার গ্রেপ্তার

নিউজ জংশন ডেস্ক
আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৮
বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগ, ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে রাজধানী থেকে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। এ সময় তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় সুমাইয়ার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও তাতে সম্মতি এবং ওই কার্যক্রম থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণের অভিযোগে তার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে ছবি ও ভিডিও বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল।

পরে প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গত ১১ আগস্ট রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। অভিযানে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরবর্তীতে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া কথিত এই চক্র পরিচালনা করতেন। তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, সুমাইয়ার বাবা মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও কোনো বাধা দেননি; বরং ওই কার্যক্রম থেকে পাওয়া অর্থ নিয়মিত গ্রহণ করতেন।

এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত, চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।

তবে মামলার অভিযোগ ও পুলিশের দাবিগুলো তদন্তাধীন। আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে গণ্য করা যাবে না।


সম্পর্কিত খবর

SYED CREATIONS

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট, ওয়েব অ্যাপ বা সফটওয়্যারের জন্য আজই যোগাযোগ করুন। এক জায়গায় পাবেন সকল সমাধান!

০১৮৩৭৫২২৯০২